যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেছেন যে, দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেট (দূতাবাস ভবন) সংলগ্ন পার্কিং লটে একটি ড্রো*ন হা*মলা হয়েছে। এই হা*মলায় আগুন লেগে যায়, কিন্তু কোনো কর্মী আহ*ত হননি এবং সবাই নিরাপদে আছেন। খবরটি বিবিসিসহ একাধিক আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।
হামলার বিবরণ:
রুবিও সাংবাদিকদের বলেন: “আমি দুবাইয়ের কনস্যুলেট নিয়ে মিডিয়া রিপোর্ট দেখেছি। সর্বশেষ আপডেট অনুসারে, একটি ড্রো*ন দুর্ভাগ্যজনকভাবে চ্যান্সারি (দূতাবাস) ভবন সংলগ্ন পার্কিং লটে আঘাত হেনেছে, যার ফলে সেখানে আগুন লেগে যায়। সব কর্মী নিরাপদে আছেন।”
তিনি আরও বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র আগেই বিভিন্ন কূটনৈতিক স্থাপনা থেকে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া শুরু করেছিল, কিন্তু এখনো “আমাদের দূতাবাসগুলো একটি সন্ত্রা*সী গোষ্ঠীর সরাসরি হামলার মুখে পড়েছে”।
দুবাইয়ের মিডিয়া অফিস নিশ্চিত করেছে যে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং কোনো হতাহ*ত নেই।
প্রেক্ষাপট:
এই হা*মলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইস*রায়েল যুদ্ধের (যা ২৮ ফেব্রুয়ারি/১ মার্চ থেকে চলছে) অংশ। ইরান পাল্টা হামলা হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে (সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরাইন, ইউএই) মার্কিন ও মিত্রদের লক্ষ্যবস্তুতে ড্রো*ন ও মিসা*ইল ছুড়ছে।
একই দিনে সৌদি আরবের রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলা হয়েছে, যাতে সীমিত আগুন ও ক্ষয়ক্ষতি হয়।
দুবাইয়ের কনস্যুলেট শহরের জনবহুল এলাকায় অবস্থিত—ব্রিটিশ ও সৌদি দূতাবাসের কাছে। হামলার পর কালো ধোঁয়ার স্তম্ভ উঠতে দেখা গেছে (বাইস্ট্যান্ডার ভিডিওতে)।
ইরানের রাষ্ট্রীয় মিডিয়া (IRIB) এটিকে তাদের পাল্টা হা*মলা হিসেবে দাবি করেছে, যদিও ইরান সরাসরি স্বীকার করেনি—তবে এটি ইরানের প্রতিশোধমূলক অভিযানের অংশ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
প্রভাব:
যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকানদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য চার্টার ফ্লাইট ও সামরিক সহায়তা দিচ্ছে। রুবিও বলেছেন, পরিস্থিতি “আরও কঠোর” হবে।
দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ অন্যান্য স্থানে (যেমন Burj Al Arab, Palm Jumeirah) ইরানি হা*মলার খবর এসেছে, যা বিমান চলাচল ব্যাহত করছে।
তেলের দাম আরও অস্থির—হরমুজ প্রণালির ঝুঁকি বাড়ছে।
যু*দ্ধ এখন চতুর্থ/পঞ্চম দিনে, এবং ইরানের পাল্টা হাম*লা আঞ্চলিকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে—আরও হামলা বা কূটনৈতিক উন্নয়ন হতে পারে।
মোটিভেশনাল উক্তি