ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রে শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তনের (regime change) যেকোনো প্রচেষ্টা হলে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন একজন উচ্চপদস্থ ইরানি সামরিক কর্মকর্তা। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ই*সরায়েল যদি ইরানে সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে এগিয়ে যায়, তাহলে দক্ষিণ ই*সরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক স্থাপনা (Dimona nuclear facility) সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠতে পারে।
আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ISNA জানিয়েছে, ওই কর্মকর্তা বলেছেন:
“ইরান প্রয়োজনে ডিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্রে আঘাত হানতে পারে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সকল জ্বালানি অবকাঠামোকেও লক্ষ্য করে চূড়ান্ত কার্যকর মিসাইল ব্যবহার করা হবে।”
প্রেক্ষাপট:
এই হুঁশিয়ারি এসেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ই*সরায়েল যুদ্ধের ষষ্ঠ দিনে (৫ মার্চ ২০২৬)। যুক্তরাষ্ট্র ও ই*সরায়েলের চলমান অভিযানে ইরানের নেতৃত্ব ও সামরিক সক্ষমতা লক্ষ্য করা হচ্ছে, যা ইরান regime change-এর হুমকি হিসেবে দেখছে।
ডিমোনা ই*সরায়েলের অঘোষিত পারমাণবিক কর্মসূচির কেন্দ্রস্থল বলে বিশ্বাস করা হয়। এটি আগেও ইরানি হুমকির লক্ষ্য ছিল, কিন্তু এবারের বক্তব্য আরও সরাসরি ও গুরুতর।
প্রভাব:
এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।
পারমাণবিক সংঘাতের আশঙ্কা বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ই*সরায়েলের পক্ষ থেকে এখনো সরাসরি প্রতিক্রিয়া আসেনি।
যুদ্ধ চলমান—ইরান পাল্টা ড্রো*ন ও মি*সাইল হামলা অব্যাহত রেখেছে। তেলের দাম (ব্রেন্ট ক্রুড ৯০+ ডলার/ব্যারেল) অস্থির, হরমুজ প্রণালি ও আঞ্চলিক অবকাঠামোর ঝুঁকি বাড়ছে।
এই বক্তব্য ইরানের “প্রতিরক্ষামূলক” অভিযানের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে এটি সংঘাতকে পারমাণবিক স্তরে নিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে। পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত—আরও হুমকি বা হামলা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
মোটিভেশনাল উক্তি