মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ইউরোপের বাজারে। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে যুক্তরাজ্যে পাইকারি গ্যাসের দাম প্রায় ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রতি থার্ম গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ১৭১ দশমিক ৩৪ পেন্স (প্রায় ২.২৯ ডলার), যা ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ।
কেন এই আকাশচুম্বী দাম?
গত বুধবার (১৮ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান জ্বালানি কেন্দ্রগুলোতে ইরানের আকস্মিক ক্ষে*প*ণাস্ত্র হামলার পরেই জ্বালানি বাজারে এই অস্থিরতা তৈরি হয়। ঘটনার সূত্রপাত হয় বুধবার ভোরে, যখন ই*স*রা*য়েল বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র ‘সাউথ পার্স’-এর একটি ইরানি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে বিমান হা*মলা চালায়।
ই*স*রায়েলি এই আ*ক্রমণের জবাবে ইরান পাল্টা আ*ঘাত হানে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে।
ক্ষতিগ্রস্ত বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাস কেন্দ্র
ইরানের ক্ষে*প*ণা*স্ত্র হা*মলায় কাতারের ‘রাস লাফান’ এলএনজি কমপ্লেক্সের একটি অংশে ভয়া*বহ অ*গ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই হা*মলার ফলে বিশ্ববাজারে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের ওপর প্রভাব
যুক্তরাজ্য তাদের প্রয়োজনীয় জ্বালানি গ্যাসের একটি বিশাল অংশ কাতারসহ পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আমদানি করে। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীলতা এবং সরবরাহ লাইনে বিঘ্ন ঘটার কারণেই ব্রিটিশ বাজারে গ্যাসের দাম রাতারাতি এতটা বেড়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে।