কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার ঘোষণা করেছে যে, কুয়েত রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা পরিষেবা সফলভাবে একটি সন্ত্রাসী চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়েছে এবং এমন একটি নেটওয়ার্ককে ভেঙে দিয়েছে, যারা রাষ্ট্রীয় প্রতীক ও নেতাদের গুপ্তহ*ত্যা এবং দেশের সর্বোচ্চ স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করার পরিকল্পনা করেছিল।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার নাসের আবুসুলাইব একটি টেলিভিশন বিবৃতিতে বলেছেন যে, নিবিড় নজরদারি এবং নিরাপত্তা তদন্তের পর কর্তৃপক্ষ পাঁচজন নাগরিক এবং নাগরিকত্ব বাতিল হওয়া একজন অ-কুয়েতি ব্যক্তিকে নিয়ে গঠিত একটি নেটওয়ার্ককে ভেঙে দিয়েছে।

তিনি আরও জানান যে, বর্তমানে দেশের বাইরে থাকা আরও ১৪ জন পলাতক ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে পাঁচজন নাগরিক, নাগরিকত্ব বাতিল হওয়া পাঁচজন ব্যক্তি, দুইজন ইরানি এবং দুইজন লেবানিজ নাগরিক রয়েছেন।

আবুসুলাইব বলেন, “তদন্তে সন্দেহভাজনদের নিষিদ্ধ হিজবুল্লাহ সন্ত্রাসী সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়েছে।” তিনি প্রকাশ করেন যে, এই নেটওয়ার্কটি রাষ্ট্রীয় নেতা ও প্রতীকদের লক্ষ্য করে গুপ্তহত্যা চালানোর এবং এই অভিযানগুলোর জন্য লোক নিয়োগের পরিকল্পনা করেছিল।

মুখপাত্রের মতে, সন্দেহভাজনরা স*ন্ত্রা*সী সংগঠনের সাথে যোগাযোগ ও তাতে যোগদানের এবং বিদেশে উন্নত সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের কথা স্বীকার করেছে। এই প্রশিক্ষণে অস্ত্র, বিস্ফোরক, নজরদারি কৌশল এবং গুপ্তহত্যার দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে যে, প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সন্দেহভাজনদের পাবলিক প্রসিকিউশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এতে আরও জোর দেওয়া হয় যে, কুয়েত রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব একটি ‘রেড লাইন’ বা অলঙ্ঘনীয় সীমা, এবং এই সেলের কার্যকলাপ ‘গুরুতর রাষ্ট্রদ্রোহিতা’র শামিল।

মোটিভেশনাল উক্তি

By sharif

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *