ই*সরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের আবহে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ইরান। শনিবার ইরানি সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, এই জলপথে প্রবেশ করা যেকোনো মার্কিন জাহাজকে সমুদ্রের তলদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
হুঁশিয়ারির প্রেক্ষাপট: সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে শিগগিরই মার্কিন নৌবাহিনী পাহারা দেবে। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই ইরানের পক্ষ থেকে এই পাল্টাহুমকি এলো।
বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর (আইআরজিসি) অবস্থান:
এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডস বাহিনী (আইআরজিসি) জানায়, তারা এই জলপথে মার্কিন বাহিনীর মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। আঞ্চলিক যুদ্ধের কারণে বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ রুটে জাহাজ চলাচল স্থবির হয়ে পড়েছে। আইআরজিসি-র মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেন, “আমরা তাদের উপস্থিতির অপেক্ষায় আছি।” তিনি মার্কিনিদের সতর্ক করে দিয়ে ১৯৮৭ সালে ‘ব্রিজেটন’ সুপারট্যাঙ্কারে লাগা আগুন এবং সাম্প্রতিক তেলবাহী জাহাজগুলোর পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
বেসামরিক অবকাঠামোতে হা*মলার অভিযোগ:
এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তার দাবি:
টার্গেট: কেশম দ্বীপে অবস্থিত একটি পানি শোধন প্ল্যান্টে (Desalination Plant) হাম*লা চালিয়েছে আমেরিকা।
প্রভাব: এই হাম*লার ফলে ওই অঞ্চলের অন্তত ৩০টি গ্রামের পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
পরিণতি: আরাঘচি এই ঘটনাকে “পরিষ্কার এবং বেপরোয়া অপরাধ” হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার এই বিপজ্জনক নজির আমেরিকা স্থাপন করেছে, যার পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়া*বহ।
মোটিভেশনাল উক্তি