মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেছেন, একটি চুক্তি হলে ওয়াশিংটন ইরানের ইউ*রেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেবে। এর মাধ্যমে তিনি তেহরানের সঙ্গে যেকোনো ভবিষ্যৎ চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ইরানের ইউ*রেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সম্পদ সংগ্রহ করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন: “এটা খুব সহজ। যদি তাদের সঙ্গে আমাদের একটি চুক্তি হয়, আমরা এগিয়ে যাব এবং আমরা নিজেরাই তা নিয়ে নেব।”

ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে “খুব ভালো” আলোচনা হয়েছে, যদিও তেহরান কোনো আলোচনা চলার কথা অস্বীকার করেছে।

“তারা একটি চুক্তি করতে খুবই আগ্রহী। আমরাও একটি চুক্তি করতে চাই,” ট্রাম্প বলেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, ফোনে আরও যোগাযোগ হতে পারে এবং “খুব, খুব শীঘ্রই” সরাসরি বৈঠকও হতে পারে।

সম্ভাব্য কূটনৈতিক অগ্রগতির সুযোগ করে দিতে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হা*মলায় পাঁচ দিনের বিরতির ঘোষণা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন।

“আমরা দেখব ব্যাপারটা কেমন এগোয়, এবং যদি তা ভালোভাবে এগোয়, তাহলে আমরা এর একটা নিষ্পত্তি করব। নইলে, আমরা বো*মা হা*ম*লা চালিয়েই যাব,” তিনি বলেন।

একটি পৃথক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরানের অভ্যন্তরীণ ঘটনাপ্রবাহ “শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন”-এর পর্যায়ে যেতে পারে, যা এই সংঘাত চলতে থাকায় মার্কিন বার্তার সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

তবে, ইরানি কর্মকর্তারা চলমান আলোচনার দাবি প্রত্যাখ্যান করে জোর দিয়ে বলেছেন যে কোনো আলোচনা হচ্ছে না।

২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর মার্কিন-ই*স*রা*য়ে*লি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়েছে, যাতে ১৩০০ জনেরও বেশি মানুষ হতাহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এর জবাবে ইরান ইস*রা*য়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রো*ন ও ক্ষে*প*ণাস্ত্র হা*মলা চালিয়েছে, যা অবকাঠামো, বৈশ্বিক বাজার এবং বিমান চলাচলকে ব্যাহত করেছে।

মোটিভেশনাল উক্তি

By sharif

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *