ইরানের ব্যাপক ক্ষে*পণাস্ত্র ও ড্রো*ন হাম*লার মুখে শনিবার দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কিছু সময়ের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই ট্রানজিট পয়েন্টটি পরিস্থিতির উন্নতি সাপেক্ষে পরবর্তীতে পুনরায় সচল করা হয়।
আঞ্চলিক উত্তেজনা ও হামলার বিবরণ: মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু অভিমুখে ইরানের এই আকস্মিক হা*মলার পর উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। হামলার প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রেসিডেন্ট প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর উদ্দেশ্যে দুঃখ প্রকাশ করে জানান, কোনো দেশের ভূখণ্ড যদি ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত না হয়, তবে তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তা সত্ত্বেও শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার ও কুয়েতে হামলার খবর পাওয়া গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুয়েতের জাতীয় তেল কোম্পানি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জ্বালানি উৎপাদন কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের পরিস্থিতি: আমিরাত সরকারের তথ্যমতে, তাদের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ১৬টি ব্যা*লেস্টিক ক্ষে*পণাস্ত্র এবং ১২০টিরও বেশি ড্রো*ন নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি ‘অজ্ঞাত বস্তু’ দুবাই বিমানবন্দরের কাছে আকাশেই ধ্বংস করা হয়, যার ফলে নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত থাকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বিকট শব্দ ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখার কথা জানালেও, সরকারিভাবে জানানো হয়েছে যে ধ্বংসাবশেষের পতনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ছাড়া কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।
বিমান চলাচল ও অন্যান্য দেশের ক্ষয়ক্ষতি: ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হামলার সময় বেশ কিছু উড়োজাহাজ দুবাইয়ের আকাশে অবতরণের অপেক্ষায় চক্কর দিচ্ছিল। পরবর্তীতে এমিরেটস এয়ারলাইন্স নিশ্চিত করে যে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, উপসাগরীয় অঞ্চলে আমিরাতেই সবচেয়ে বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উপস্থিতিও রয়েছে।
অন্যান্য দেশের মধ্যে:
সৌদি আরব: প্রিন্স সুলতান এয়ারবেস ও শায়বা তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করে আসা ৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৭টি ড্রো*ন ধ্বংস করার দাবি করেছে।
কাতার ও কুয়েত: কাতার একটি ক্ষে*পণাস্ত্র এবং কুয়েত একটি ড্রোন ভূপাতিত করার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জর্ডান: দেশটির সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুস্তাফা হায়ারির মতে, গত এক সপ্তাহে ইরান জর্ডানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ১১৯টি ক্ষে*পণাস্ত্র ও ড্রো*ন ছুড়েছে।
মোটিভেশনাল উক্তি