আমিরাত একটি সমৃদ্ধ স্বর্ণের বাজার নিয়ে গর্ব করে, যা বিশ্বব্যাপী স্বর্ণের বাণিজ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে।

আমদানির এক তৃতীয়াংশেরও বেশি স্বর্ণের মজুদ নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত স্বর্ণের লেনদেনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

কিন্তু ইদানীং স্বর্ণের মূল্য বাড়ায় ক্রেতা কমে গেছে। তারা এত দাম দিয়ে সোনা কিনতে অনিচ্ছুক। মাত্র ৪ দিনের মধ্যে, দুবাইয়ের স্থানীয় বাজারে সোনার দাম প্রতি গ্রামে ২৪ দিরহাম বেড়েছে। প্রতি গ্রাম ২২ ক্যারেটের সোনার দাম এসে দাঁড়িয়েছে ৩৫৮.৭৫ দিরহামে। যা ইতিহাসের রেকর্ড। ২৪ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম সোনার ঠেকেছে ৩৮৭.২৫ দিরহামে। আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ৩৪৪ দিরহামে। সৌদি আরবে তুলনামূলক ২২ ক্যারেট সোনার দাম বর্তমানে প্রতি গ্রামে ৩৬১ রিয়াল।

বাংলাদেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৭ টাকা। আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৯৫ টাকা।

এত দাম বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশে সোনার ক্রেতা কমে দোকানিরা এখন হতাশায় দিন গুনছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রাথমিক বাজারগুলির মধ্যে রয়েছে ভারত, সুইজারল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে ২০১৯ সালে সোনার আমদানি ২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে, সোনার চাহিদা মূলত গ্রাহকদের গয়না ক্রয়ের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়, যা সমস্ত সোনার লেনদেনের প্রায় অর্ধেক।

তদুপরি, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং ব্যাংকগুলি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময়কালে বা যখন লাভের সম্ভাবনা দেখা দেয় তখন প্রচুর পরিমাণে সোনা অর্জন করে।

দেশীয় উৎপাদন সত্ত্বেও, যা মূলত আফ্রিকা এবং ইউরোপ থেকে আমদানি দ্বারা পরিপূরক হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাত তার সোনার সরবরাহের প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য বিশ্ব বাজারের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে।

মোটিভেশনাল উক্তি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *